বিলম্বে হলেও আজ কুসিক”র মাননীয় মেয়র মহোদয়ের সাথে সাক্ষাত হলো।
তার আগে আমি বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে সরাসরি এবং ফোনে প্রমত্তা গোমতির যৌবনের ইতিহাস জানি।
৬২ সালের পুর্বে প্রানচঞ্চল এই নদীর বুকেই ছিলো আমাদের কোতয়ালী থানা সহ অসংখ্য বাড়ীঘর।
৫৪ সালে হাজী তারু মিয়া সাহেব চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়েই এখানে সবচেয়ে বেশী বসতি গড়ে ওঠে।
সিনিয়র এড,জনাব আশরাফ উদ্দিন রহমত ভাই বলেন,তখনকার জমিদার শ্রী শ্রী মানক্য বাহাদুর সাহেব থেকে নদীর পাড়ের এবং বাঁধের অধিকাংশ যায়গা পাট্টা দলীলের মাধ্যমে জনাব হাজী তারু মিয়া সাহেব বন্দবস্ত নেন।তারপর তিনি বিপুল পরিমান পরিবারের কাছে খন্ড খন্ড অংশে বিক্রি করেন।
আবার যখন ৬২ সালে নদী ঘুরিয়ে নেয়া হয় তখন এই গোমতি নদী মরে যায়।যায়গায় যায়গায় বাধ দিয়ে রাস্তা করা হয়।সে সুযোগে অনেকেই নদীর মাঝে এসেও অস্থায়ী ঘর,দোকান নির্মান করেন।ধীরে ধীরে নদী পানি সংকুচিত হয়ে খালে পরিনত হয়।
কিন্তু যারা সি,এস আর,এস অন্তর্ভুক্ত এবং যারা সরকার হতে অবমুক্ত করে জমির মালিক হয়েছেন তাদের চেয়েও হটাৎ আসা অবৈধ দের দৌরাত্ম বেড়ে যায়।
বর্তমান সরকার এইসমস্ত জলাধারকে সংরক্ষিত করতে বিভিন্নভাবে মানুষকে উৎসাহিত করছেন।না শুনলে উচ্ছেদ করছেন।এমনি একটা প্রকল্প কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন হাতে নিয়েছে যা প্রায় ২৫০ কোটি টাকার প্রকল্প।
আজকে কুসিক এর মাননীয় মেয়র দীর্ঘসময় দিয়ে আমার কথার তিনি উত্তর দেন।প্রমান হিসেবে তিনি প্রজেক্টের সমস্ত প্রসপেক্টাস আমাদের সামনে নিয়ে আসেন।তিনি বলেন,আমি জনগনের সেবক কারো বাড়ীঘর অকারনে ভাংগা আমার কাজ না।এই প্রজেক্টে যেনো একটা বাড়ীও না ভাংগা পরে আমি সেজন্য কাজ করে যাচ্ছি।মাত্র ২০০ ফুট নদী রেখেই ব্রিজ, ওয়াক ওয়ে নির্মাণ করব।কুমিল্লার সৌন্দর্যের জন্য সাধারণ মানুষের জানমাল নস্ট হতে আমি দেবনা।
আমি কাউকে লাল দাগ দিয়ে ঘরবাড়ি ভাংগা হবে এমন কিছু বলিনি।
তিনি আমাদের এলাকার সদ্য মরহুম কাউন্সিলর সাহেবের ছেলে সৈয়দ রায়হানকে বলেন সবাইকে জানিয়ে দাও,কারো ঘরবাড়ি ভাংগা যাবেনা।যদি কারো গোসল করার ঘাটলাও ক্ষতিগ্রস্ত হয় সিটি কর্পোরেশন তা করে দিবে।
সত্যিকার অর্থে আজকে এই লিখা পড়ে অনেকে হয়ত আশস্ত হবেন।কিন্তু আমি সবার কাছে অনুরোধ করব কেউ যেন ভুল না বুঝেন।আমি কিছুই বারিয়ে লিখিনি।হুবুহু যা কথা হয়েছে তা লিখছি।তবে মেয়র মহোদয় এটা বলেছেন যারা কোনো লিং ছাড়াই নদীর মধ্য ছাবরা দিয়ে মাদক কিংবা এরচেয়েও জঘন্য কিছু করছেন সবাইকে সাথে নিয়ে তাদের উচ্ছেদ করতেই হবে।
আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সৈয়দ রায়হানের কাছে যেকিনা মানুষের দুর্দশার কথা ভেবে আজ সিটি কর্পোরেশনের সকল তথ্য উপস্থাপন করে উপস্থিত অনেকেরই দৃষ্টি আকৃষ্ট করে।
এরপর আমার চেষ্টা থাকবে আমাদের কুমিল্লার গরিবদুঃখী মানুষের আস্রয়স্থল,কুমিল্লার গণমানুষের নেতা,বার বার নির্বাচিত মাননীয় এমপি হাজি আকম বাহাউদ্দীন বাহার ভাইয়ের সাক্ষাত নেয়া।এবং অকারনে যেনো মানুষের ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি না হতে হয় সেজন্য প্রিয়নেতার সাহায্য চাওয়া।
পরিশেষে বলবো ১৩ লাখ রোহিঙ্গাদের আস্রয় দেয়া বাংলাদেশ কখনোই আর মানুষের জানমালের ক্ষতি হবে এমন কিছুই করবেনা।
তথ্য প্রদান করে যারা আমাকে কৃতার্থ করেছেনঃ
১।এড আশরাফ উদ্দিন রহমত
২।জনাব মিজানুর রহমান নিজাম
৩।জনাব জসিম আহমেদ
৪।আবু ইউসুফ বাবু।
৫।মুরুব্বি জনাব নসু মিয়া।
৬।আনোয়ার হোসেন মুন্সী।
৭।জনাব কাজি তারেক
৮।জনাব কাজমীর আহমেদ।
৯।জনাব আমিনুল ইসলাম আমান।
১০।জনাব আকতার হোসেন।
১১।ওমর ফারুক শাহীন।
১২।সাদ্দাম,কাউন্সিলর অফিস।
১৩।আব্দুল ওয়াদুদ।
১৪।মাকসুদ হক ডালিম।
১৫।আহমেদ অয়ন সজিব।
সহ নাম নাজানা কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অনেকে।
চলবে।
মরা গোমতি নদীর পাড়ের উচ্ছেদ প্রসঙ্গে-ইয়াহিয়া মজুমদার
ads






