নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লায় বিদেশ-ফেরত নারী অভিবাসী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অধিকার এবং মর্যাদা সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লায় বিদেশ-ফেরত নারী অভিবাসী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অধিকার এবং মর্যাদা সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টের অডিটোরিয়ামে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে ‘ইমপ্রুভড সাসটেইনেবল রিইন্টিগ্রেশন অব বাংলাদেশি রিটার্নি মাইগ্রেন্টস (প্রত্যাশা-২)’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক রোজি আক্তার। সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. জাকিয়া বেগম।

স্বাগত বক্তব্য দেন ব্র্যাকের ডিস্ট্রক্ট কো অর্ডিনেটর জিয়া উদ্দিন আহম্মদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ডেপুটি ম্যানেজার তানজিনা সুলতানা সেঁজুতি এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এমআরএসসি কুমিল্লার কো-অর্ডিনেটর মো. তানভীর হাসান।
কর্মশালায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, উইমেন ফোরামের সদস্য, বিদেশ-ফেরত অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভাষা ও কাজ শিখে বিদেশ যেতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। নারী কর্মীদের বিদেশ যেতে কোনো টাকা লাগে না। কিন্তু স্থানীয় দালালদের খপ্পরে পড়ে তারা টাকা লেনদেন করেন। এ ধরনের বেআইনি কাজ থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে এবং সচেতন হতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, সরকার অনুমোদিত প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের মাধ্যমে বিদেশ-ফেরত ও বিদেশগামীদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। বিদেশ-ফেরত অভিবাসীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কারিগরি প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা দেশে ফিরেও স্বাবলম্বী হতে পারেন।
কর্মশালায় কয়েকজন বিদেশ ফেরত নারী অভিবাসী তাদের প্রবাস জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেন। তাদের সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। তারা কিভাবে ব্র্যাকের সহযোগিতায় নতুন কর্মজীবন শুরু করেন, সে কথা বলেন।
উল্লেখ্য, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক ২০০৬ সাল থেকে দেশের অভিবাসনপ্রবণ জেলাগুলোতে নিরাপদ অভিবাসন, বিদেশফেরতদের পুনরেকত্রীকরণ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অভিবাসন খাতে অ্যাডভোকেসিসহ নানাবিধ সহযোগিতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।






