24122

কুমিল্লায় সুবিচার পাওয়ার জন্য পুলিশ সুপার বরাবর রেমিট্যান্স যোদ্ধার লিখিত অভিযোগ

কুমিল্লায় সুবিচারের আশায় কুয়েত প্রবাসী এক রেমিট্যান্স যোদ্ধা পুলিশ সুপারের বরাবর লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে সুবিচারের আবেদন জানিয়েছেন। প্রবাসী সাব্বীর হোসেন কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে। তিনি পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ পুলিশ সুপারের কাছে পাঠিয়েছেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, কুয়েত প্রবাসী সাব্বীর গত ৫ই মে তার বড় ভাই সহ নিজের গাড়ি নিয়ে কুয়েত এমবাসিতে যাওয়ার পথে দাউদকান্দি টোলপ্লাজার কাছে একটি পুলিশের গাড়ি থেকে এস আই মনিরসহ অন্যান্য পুলিশের কর্মকর্তা তাদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গাড়িতে অবৈধ মালামাল আছে বলে কথা কাটাকাটি ও মারধর শুরু করে। পরে তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন ও নগদ ১৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দুই বোতল ফেন্সিডিল দিয়ে ছবি তুলেন ও ২লক্ষ টাকা দাবী করেন। সাব্বীর তার বাড়িতে ফোন করলে ১ লক্ষ টাকা দিতে রাজি হয়। তার পরিবারের লোকজন একটি বিকাশ নাম্বারে ১ লক্ষ টাকা পাঠায়। নাম্বারটি (০১৭০৮৬৪৬৮৫০)। টাকা পাওয়ার পর রাতে ছেড়ে দিবে বলে তাদের দাউদকান্দি থানার লকআপে প্রেরণ করে। তার চাচা তাদের খবর নিতে গেলে এস আই মনির উনার কাছে থাকা প্রায় ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। পরের দিন গাড়ি সহ তাদের দুজনকে কোর্টে চালান করে দেয়। ৫দিন জেলখানায় কাটানোর পর তারা জামিনে মুক্তি পায়। পুলিশ তার বিমানের টিকেটটি ও ছিড়ে ফেলে দেয়। এই অবস্থায় এই রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী ও কুমিল্লার পুলিস সুপারের কাছে বিচারের আকুতি জানায়।
এবিষয়ে এস আই মনির জানায়, বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যে। সাব্বীর তার ভাই মাদক ব্যাবসায়ের সাথে জড়িত। আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করেছি। তারা আইনের চোখ ফাঁকি দেয়ার জন্য মিথ্যে অভিযোগ করেছে।

ads
ad

পাঠকের মতামত