মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কায়সার আহমেদের শশুর’র দাফন সম্পন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লা শহরতলীর চানপুর এলাকার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত বিএডিসি কর্মকর্তা ফজলুল হক (৭৪)এর যানাজা নামাজ রবিবার বাদ আসর চানপুর হারুন স্কুল সংলগ্ন জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। করোনা সংকটের মাঝেও এলাকার ধর্মপ্রান ব্যাক্তি হিসেবে পরিচিত তাবলীগ জামায়াতের সদস্য ফজলুল হকের জানাজা নামাজে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে। সামাজিক দূরত্ব মেনে জানাজা শেষে হারুন স্কুল সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। মরহুম ফজলুল হক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিশিষ্ট প্রকৌশলী নাঈমুল হাছান অনিকের পিতা ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কায়সার আহমেদের শশুর। মরহুমের পৈত্রিক নিবাস চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে।
জানা যায়,শনিবার চানপুর হারুন স্কুল সংলগ্ন জামে মসজিদে মাগরিব নামাজ পড়াকালীন সময়ে সাবেক বিএডিসি কর্মকর্তা ফজলুল হক অসুস্থ হয়ে পড়েন। রবিবার সকাল ৮ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় নগরীর একটি হাসপাতালে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি—রাজিউন)। মৃত্যকালে তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র ও ২ কন্যা, নাতি-নাতনী, আত্মীয় স্বজন, বহু শুভাকাঙ্খি ও গুনগ্রাহি রেখে গেছেন। এলাকায় ফরজগার ব্যাক্তি হিসেবে খ্যাত ফজলুল হকের মৃত্যর খবর পেয়ে রাজনৈতিক, সামাজিক ও এলাকার শোকার্ত মানুষ মরহুমের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মো.আব্দুস ছালাম, ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রুহুল আমিন ভুঁইয়া, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড.মো.আমিনুল ইসলাম টুটুল, ভাইস-চেয়ারম্যান তারিকুর রহমান জুয়েল, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সচিব নূর মোহাম্মদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড.আসাদুজ্জামান, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনেরা।
গতকাল বাদ আসর হারুন স্কুল সংলগ্ন জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে আয়োজিত জানাজা নামাজের আগে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা ও কর্মময় জীবন নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মসজিদের ইমামসহ বিশিষ্টজনেরা।
এসময় বক্তারা বলেন, মরহুম ফজলুল হক অত্যন্ত ফরজগার ব্যাক্তি ছিলেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতে আদায় করতেন। আযানের আগে তিনি মসজিদে আসতেন এবং নামাজ শেষ হলে সবার পরে তিনি মসজিদ থেকে যেতেন। শনিবার অসুস্থ হওয়ার দিনও তিনি রোজা রেখেছিলেন। তিনি নিখাঁদ ভালো মানুষ ছিলেন। মানুষকে তিনি সৎ পরামর্শ দিতেন। মানুষের কল্যানে তিনি কাজ করছেন। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী করেন সেজন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।









