মাইনুল হক: ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কান্দিরপাড় রামঘাটস্থ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও সেচ্ছাসেবকলীগ।
রোববার সকালে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়।
পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

আলোচনা সভায় কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুল আলিম কাঞ্চনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত৷
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম রৌশন, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আতিক উল্লাহ খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাই বাবলু, চিত্তরঞ্জন ভৌমিক, কুমিল্লা মহানগর শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক এম এ আবদুল কাইয়ূম, কুমিল্লা মহানগনর যুবলীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক হাবিবুর আল আমিন সাদী, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক সাদেকুর রহমান পিয়াস প্রমুখ৷
১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। বাঙালি জাতির মহান মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিক ইতিহাসের একটি অনন্য মাইলফলক। এদিন পূর্ণতা পায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটলেও স্বাধীনতার নায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনও পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন। স্বাধীন দেশে ওই সময় আরেকটি সংগ্রাম শুরু হয়, বঙ্গবন্ধুকে ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধু আদৌ বেঁচে আছেন কি না কিংবা পাকিস্তান সরকার তাকে ফিরিয়ে দেবে কিনা- সে সব নিয়ে চলে নানা জল্পনা-কল্পনা।
স্বাধীনতার ২৩ দিন পর ১৯৭২ সালের এদিন অর্থাৎ ১০ জানুয়ারি বেলা ১টা ৪১ মিনিটে অবিসংবাদিত নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন।
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে জাতি বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করে।






