পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন ফাউসি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র সরকারের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ফাউসির পদত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে এই গুঞ্জন নাকচ করে দিয়েছেন এই বিশেষজ্ঞ। বলেছেন, করোনা মহামারি পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবসরে যাচ্ছেন না তিনি।
গত কয়েকদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে অফলাইন-অনলাইনে আলোচনা চলছে। বলা হচ্ছে, যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন ফাউসি।
তবে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন ফাউসি। রোববার মার্কিন সংবাদ মাধ্যম এবিসিকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে এখনও নিশ্চিত নই। তবে এটা নিশ্চিত করতে পারি যে, আমরা এখনও কাজের মধ্যেই আছি।
ফাউসি আরও বলেন, মার্কিনীরা এখনও করোনা মহামারির বিপদ থেকে পুরোপুরি মুক্ত নয়। আমাদের আরও কিছুটা পথ যাওয়ার বাকি রয়েছে। আমি মনে করি, আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ’র পরিচালকের দায়িত্বের পাশাপাশি করোনা টাস্কফোর্সের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন ফাউসি। গত শনিবার এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত করোনা মহামারির শেষ দিকে চলে এসেছে।’
ফাউসির এই বক্তব্যের পরপরই তার পদত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। সাক্ষাৎকারে আগের দিনের বক্তব্যের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ফাউসি বলেন, ‘আমি বলেছি, মহামারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি আছি। এবং আমি মনে করি, আমি এখনও সেখানেই আছি।’
এদিকে সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, মহামারির শুরু থেকে বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭ কোটি ৭ লাখ ৮৮ হাজার ১১৩ জনে। আর মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১ লাখ ৫৫৬ জনে। এ সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪০ কোটি ৭০ লাখ ২১ হাজার ৯৪২ জন।
বিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি করোনা শনাক্ত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। আক্রান্তের দিক থেকে তালিকার এগার নম্বরে থাকা দেশটিতে এ সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৭০৮ জন এবং মারা গেছেন ৩২৭ জন। তবে দেশটিতে করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
দৈনিক সংক্রমণের দিক দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার পরই ভিয়েতনামের অবস্থান। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হন ১ লাখ ৪১ হাজার ১৫১ জন, মারা গেছেন ৬৩ জন।
করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯৩৩ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৮৮ জন। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ কোটি ১৪ লাখ ১০ হাজার ১০১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৬ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার ৭৬২ জন।











