লন্ডনে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে সোমবার (৫ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দূতাবাস। পূর্বে কার্যালয়টি প্যালেস্টিনিয়ান মিশন টু দ্য ইউকে নামে পরিচিত ছিল। সেটিই বর্তমানে পূর্ণ কূটনৈতিক মর্যাদা ও সুবিধাসহ দূতাবাসে উন্নীত করা হয়াছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি খবর জানিয়েছে।
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হুসাম জোমলট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছেন, আজ ব্রিটিশ-ফিলিস্তিনি সম্পর্কের ক্ষেত্রে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক। এই দূতাবাস প্রমাণ করে যে আমাদের পরিচয় অস্বীকার করা যাবে না, আমাদের অস্তিত্ব মুছে ফেলা যাবে না এবং আমাদের জীবনের মূল্য কমিয়ে দেখা যাবে না।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে জোমলট আরও বলেছেন, আজ আমরা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী। যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো, পূর্ণ কূটনৈতিক মর্যাদা ও অধিকারসহ। শুধু নাম পরিবর্তন নয়, বরং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র হওয়ার এর পথে এক নতুন দিকনির্দেশনা।
তিনি আরও বলেছেন, এটি আশার দিন, দৃঢ়তার দিন। এটি এমন এক দিন, যা বিশ্বকে মনে করিয়ে দেয় যে ন্যায়, মর্যাদা, সমতা ও পারস্পরিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে শান্তি শুধু সম্ভবই নয়, বরং অনিবার্য। পশ্চিম লন্ডনে অবস্থিত দূতাবাস ভবনের বাইরে দারিয়ে তিনি এ বক্তব্য দেন। বক্তব্যের শেষে তিনি দূতাবাসের নতুন ফলক উন্মোচন করেন।
এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ব্রিটিশ দূতাবাস খোলার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে কি না, এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পরই মিশনটি দূতাবাসে উন্নীত হয়। একই সময়ে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ আরও কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার জবাবে ইসরায়েলের চালানো ভয়াবহ যুদ্ধের পর গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত অক্টোবর থেকে সেখানে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে।











