গুরুতর পরিস্থিতির মধ্যে সামরিক সম্পর্ক জোরদারে একমত হয়েছে জাপান-ফিলিপাইন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গুরুতর পরিস্থিতির মধ্যে সামরিক সহযোগিতা জোরদারে একমত হয়েছে জাপান ও ফিলিপাইন। দেশ দু’টিতে চীনের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপের কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবার ম্যানিলায় যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো তেওডারো জুনিয়র ও জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেন নাকাতানি। তারা জানান, সোমবার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি বিষয়ে তাদের মধ্যে একটি কৌশলগত সংলাপ হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা। নাকাতানি বলেন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি ও তেওডারো একমত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আমরা এ বিষয়ে একমত হয়েছি যে, আমাদের চারপাশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দিন দিন গুরুতর হচ্ছে।
ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি আছে জাপান ও ফিলিপাইনের। এ ছাড়া চীনের দক্ষিণ চীন সাগরের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টার কঠোর সমালোচনাকারী দেশগুলোর মধ্যে জাপান ও ফিলিপাইন অন্যতম। দক্ষিণ চীন সাগর দিয়ে বিশ্বব্যাপী শিপিংয়ের এক-তৃতীয়াংশ বহন করা হয়। চীন ওই নৌপথের ৯০ শতাংশ দাবি করে। তবে সেখানে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া ও ব্রুনাইয়েরও আঞ্চলিক দাবি রয়েছে। হেগে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের ২০১৬ সালের রায় অনুযায়ী চীনের দাবির কোনো যৌক্তিকতা নেই। এ ছাড়া চীন প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করে ফিলিপাইনে মাছ ধরে ও তেল অনুসন্ধানে হস্তক্ষেপ করে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করেছে বলেও জানানো হয় ওই রায়ে। তবে বেইজিং ওই রায় অস্বীকার করে তা ‘অবৈধ’ বলে সম্বোধন করে।










