শাহ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী (র:) এর ১২১তম বার্ষিক ওরশে মানুষের ঢল
নিউজ ডেস্ক: সূফি সম্রাট, আধ্যাত্মিক সাধক, আলহাজ্ব হাফেজ ক্বারী মাওলানা শাহ আব্দুল্লাহ গাজীপুরি (র:) পীর সাহেবের ১২১তম বার্ষিক ওরশ ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারী) কুমিল্লা নগরীর দারোগাবাড়ী এলাকায় হযরত শাহ আবদুল্লাহ গাজীপুরী (রহ) মাজার প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠিত দরগা শরিফে দিনব্যাপী এ ওরস অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মানুষকে দরবারে ভিড় জমাতে দেখা যায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজার হাজার আশেকান ও ভক্তদের উপস্থিতে মুখরিত হয়ে উঠে মাজার প্রাঙ্গণ। এছাড়া ওরস উপলক্ষে বসে মেলা। মেলায় খাদ্য সামগ্রী, খেলনা, পোশাকসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যের পসরা নিয়ে বসেন দোকানিরা।
কর্মসূচীর মধ্যে ছিল বাদ ফজর হতে কোরআন খতমে তেলোয়াত, বাদ যোহর আগত ভক্ত মুসুল্লিদের মাঝে তাবারুক বিতরন, বাদ আসর হামদ নাত গজল ও শানে আউলিয়া পরিবেশন, বাদ মাগরিব শাজরা শরীফ ও গাউসিয়া শরীফ উপস্থাপন, বাদ এশা কোরআন হাদীস ইজমা কেয়াছ ভিত্তিক আলোচনা মিলাদ শানে রেসালাত ও শানে বেলায়াত সম্বলিত বয়ান পেশ, শাহ্ আবদুল্লাহ্ আলক্বাদেরী গাজীপুরী (রা.) এর মাজারে শরীফে গিলাফ চড়ানো, জিয়ারত, শাহ্ আবদুল্লাহ্ গাজীপুরী (রা.) এর বর্ণাঢ্য জীবনের ওপর আলোচনা এবং বাদ ফজর আখেরি মোনাজাত ও তাবারুক বিতরণ।
ওয়াজ করেন আলহাজ্ব মাওলানা ওবাইদুল হক, মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ, মাওলানা ইয়াসিন নূরী, মুফতি মো: মহিউদ্দিন, মুফতি ফজলুল কাদের বাগদাদী, মুফতী আক্তার হোসেন, মাওলানা গোলাম হায়দার হাসীব, মাওলানা মো: ওসমান গণি আল ক্বাদেরী, মামুনুর রশিদ আল আযহারী, অধ্যক্ষ মাওলানা সাইদুল ইসলাম, মাওলানা শহিদ উল্লাহ, মো: আবদুল জলিল রেজবী, মাওলানা শাহ আল কাদেরী, শাহজাদা মোস্তাক আহমেদ, মাওলানা কাজী মো: আল ইমরান, শাহ নেওয়াজ বিপ্লবী, হাফেজ কারী শফিকুল ইসলাম, কাজী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, আবু সাইদ নওমী, মাওলানা সালা উদ্দিন, মুফতী মোজাম্মেল হক হানাফী, মাহামুদুল হাসান, গাজী মনিরুল ইসলাম রাজাপুরী, মো: শাহীন আল কাদেরী, মুফতি মোবারক হোসাইন, মুফতি মো: শিহাব উদ্দিন, আবু রাশেদ কাসেমী, ফয়েজুর রহমান, মো: সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, শাহ আবদুল্লাহ গাজীপুরী (রা.) ভারতের কানপুরের বাসিন্দা। কুমিল্লা হয়ে মিয়ানমার যাওয়ার পথে এখানে বিশ্রাম নিতেন তিনি। এক সময় শাহ আবদুল্লাহ গাজীপুরী (রা.) ইসলাম প্রচারের জন্য এখানে থেকে যান। মৃত্যুর পর এখানে তাকে দাফন করা হয়। প্রতি শুক্রবার ও বিশেষ দিবসে মুসল্লিদের ঢল নামে এখানে।










