স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে যুদ্ধ নিয়ে যা বললেন জেলেনস্কি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়া ইউক্রেনকে ‘ধ্বংস’ করতে চেয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধ এখন ‘তার নিজ ঘরে ফিরেছে’। স্বাধীনতা দিবসে এক ভাষণে এ কথা বলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে ইউক্রেন যুদ্ধ। এই মুহূর্তে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে প্রবেশ করে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। এদিকে মস্কোও পূর্ব ইউক্রেনীয় অঞ্চলে আরও এলাকা দখল করেছে।
এমন পরিস্থিতিতে শনিবার (২৪ আগস্ট) সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতার ৩৩তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে ইউক্রেন। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এদিন একটি ভাষণ প্রকাশ করেছেন জেলেনস্কি।
আল জাজিরার প্রতিবেদন মতে, চলতি সপ্তাহে জেলেনস্কি সীমান্তের সুমি অঞ্চলের একটি নির্জন ও জঙ্গল এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানেই ভিডিওটি ধারণ করা হয়। শনিবার এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছে।
ভাষণে জেলেনস্কি ওই জায়গাটির বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, এখান থেকে সীমান্তের সেই জায়গাটি ‘কয়েক কিলোমিটার’ দূরে যেখান থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনী গত ৬ আগস্ট রাশিয়ায় প্রবেশ করেছিল। জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন ‘আবার অবাক করে দিয়েছে’। প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘প্রতিশোধ কী তা রাশিয়া এবার জানবে‘।
২০২২ সালে রাশিয়ার সামরিক অভিযান নিয়ে ইউক্রেনের এই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘রাশিয়া একটা জিনিস চাইছিল। আর সেটা হলো আমাদের ধ্বংস। কিন্তু শত্রুরা আমাদের দেশে যা নিয়ে এসেছিল তা এখন তাদের বাড়িতে ফিরে গেছে।’
জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘যে কেউ আমাদের ভূমিতে মন্দের বীজ বপন করতে চাইবে, সে তার ভূখণ্ডে এর ফসল তুলবে। এটা কোনো ভবিষ্যদ্বাণী নয়, অন্ধ প্রতিশোধও নয়। এটা ন্যায়বিচার।’
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণ মাত্রার সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আন্তঃসীমান্ত আক্রমণ হলো কুরস্কে সামরিক অভিযান।
গত ৬ আগস্ট শুরু হওয়া এই অভিযানে ইউক্রেনীয় বাহিনী ১ হাজার বর্গকিলোমিটারেরও বেশি এলাকায় কয়েক ডজন গ্রাম দখল করেছে এবং রুশ সেনাও বন্দি করেছে বলে পশ্চিমা গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। বিপরীতে রাশিয়াও সহস্রাধিক ইউক্রেনীয় সেনাকে হত্যা ও আরও অনেককে আটকের দাবি করেছে।











