ফিনল্যান্ড-সুইডেনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বাইডেন
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৃহস্পতিবার (১৯ মে) বৈঠকে বসবেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
আল জাজিরা জানায়, ন্যাটোয় দেশ দুইটির যোগদানের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
জো বাইডেন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডেলেনা অ্যান্ডারসন ও ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সউলি নিনিস্তোর সঙ্গে ইউরোপীয় নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক বিষয়ে তাদের অংশীদারিত্বের বিষয়েও আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউস মুখপাত্র কারিন জেন পিয়েরে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর বাড়তি নিরাপত্তার জন্য পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার পথে ফিনল্যান্ড। একই পথ অনুসরণ করছে সুইডেনও। তবে এতে আপত্তি জানিয়েছে রাশিয়া। কারণ, প্রতিবেশী এই দুই দেশ ন্যাটোয় যোগ দিলে নিজেদের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে বলে মনে করে মস্কো।
রাশিয়ার ‘সম্ভাব্য আগ্রাসন’ থেকে বাঁচতে ফিনল্যান্ড যখন ন্যাটোর সদস্য হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে তখনই দেশটির সঙ্গে থাকা রুশ সীমান্তে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো শুরু করেছেন ভ্লাদিমির পুতিন।
সোমবার (১৬ মে) প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী সামরিক যানগুলো ফিনল্যান্ডের সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত রুশ শহর ভায়বর্গে যাচ্ছে। খবর যুক্তরাজ্যের মিরর পত্রিকার।
ফিনল্যান্ড রাশিয়াকে উপেক্ষা করে ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের পরপরই এই ফুটেজটি সামনে আসে।
এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠজন ডুমা (রুশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ) প্রতিরক্ষা কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান আলেক্সি জুরাভলিভ বলেন, ‘ফিনল্যান্ড এবং সুইডেন এখন একটি জোটে যোগ দিতে যাচ্ছে, যারা রাশিয়াকে ধ্বংস করতে চায়। তারই জবাবে আমরা তাদের ধ্বংস করে দিতে চাই।’
বাল্টিক দেশ লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে তাদের গুঁড়িয়ে দেব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অবশ্যই এসব চীনাবাদামকে (আঙুলে টিপে খোসা খুলতে হয়) ভয় পাই না। এরা দুর্গন্ধযুক্ত পোকার মতোই বাজে।’










