বরুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন
ডেস্ক রিপোর্টঃ যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্যদিয়ে আজ সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।
গত এক মাস ধরে চলছিল রমজান। রোজা রাখছিলেন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সঙ্গে চলছিল প্রার্থনা।
আল্লাহ’র সন্তুষ্টি লাভের আশায় দেশের ধর্মপ্রাণ লাখো কোটি মানুষ আজ সকালে ঈদগাহ, মসজিদ ও খোলা মাঠে সামিয়ানার নিচে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৩ মে) বরুড়া উপজেলা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় ছিলেন বরুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিমুল আলম চৌধুরী নজরুল এমপি, বরুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাছির উদ্দীন লিংকন, বরুড়া পৌরসভার মেয়র মোঃ বক্তার হোসেন বখতিয়ার, বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন, বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার মজুমদার, ওসি (তদন্ত) নাহিদ আহমদ, বরুড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক সম্পাদক মোঃ ইলিয়াছ আহম্মেদ, আবদুল মমিন সওদাগর, অর্থ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক সর্দারসহ বরুড়া উপজেলার সর্বস্তরের জনগন।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে বরুড়া পৌরসভার মেয়র মোঃ বক্তার হোসেন বখতিয়ার বলেন, মেয়র হওয়ার পর এই প্রথম বরুড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করলাম। ঈদগাহে জামাত আদায় এর লক্ষ্যে প্রস্তুতিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি, আগামীতে জামাত আদায়ের লক্ষ্যে আরো ভালোভাবে ঈদগাহ প্রস্তুতের চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে এবং আপনাদের সেবায় আমি সবসময় নিজেকে নিয়োজিত রাখব।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও বরুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিমুল আলম চৌধুরী নজরুল শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, বরুড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠটিকে সৌন্দর্য বর্ধন, মাঠের পশ্চিম পাশে পুকুর পাড়ে রিটার্নিং দেয়াল নির্মান ও সীমানা প্রাচীর নির্মান করা হবে। আগামী ঈদুল ফিতর এর পূর্বে ঈদগাহ মাঠের সকল উন্নয়ন কাজ করা হবে এবং মাঠটির ঐতিহ্য ধরে রাখতে সকল উদ্যোগ নেয়া হবে।

বরুড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ এর পাশাপাশি বরুড়া দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা মসজিদে সকাল ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতর এর জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
ঈদ জামাত থেকে দেশ ও জনগণ এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
নামাজ শেষে ঈদের চিরাচরিত ঐতিহ্য অনুযায়ী অনেকে কোলাকুলি করেন।











