কুমিল্লার হাউজিংয়ে একটি বাসায় আগুন
নিউজ ডেস্কঃ বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট গোল মার্কেটে চারতলা ভবনের একটি বাসায় ভোরবেলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।রবিবার (১৬ জানুয়ারি) ভোরবেলা ৫টা ৩০ মিনিটের দিকে এঘটনা ঘটে বলে জানান গোল মার্কেটের বাসিন্দারা। জানা যায়, ওই বাসায় কেহ ছিলোনা সবাই তাদের গ্রামে বেড়াতে যায়। ভোর রাত ৫টা ৩০ মিনিটের দিকে হঠাৎ আগুন দেখতে পান এলাকার কিছু লোকজন।তাদের চিৎকারে আসপাশের সকলের ঘুম ভাঙ্গে এবং ঐ ভবনের চারপাশে ধোঁয়া দেখতে পান এলাকাবাসী।
এ সময় ঐ বাসার ২য় তলায় বসবাসরত বাসার মালিক রৌশনারা বেগম (৫০) আওয়াজ শুনতে পেয়ে দ্রুত নিচে নামেন।পরে এলাকার লোকজন ভবনের ৪ তলায় উঠে রুমের দরজা খোলে আগুন নেভান। আগুনে বাসার আসবাবপত্র, কাপড়-চোপড় ও টিভি ফ্রিজ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান জানা যায় নি।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রতিদিনের ন্যায় হাঁটতে বের হয়েছিলাম। এসময় মরহুম উকিল সাহেবের বাসার কাছে আসলে ৪ তলার মধ্য থেকে ধোঁয়া ও আগুন দেখতে পাই। আগুন আগুন বলে চিৎকার করি, তখন আশেপাশের লোকজন এসে আগুন নেভায়।
আগুন নেভাতে গিয়ে ধোঁয়ায় কয়েকজন আহত হয়েছেন।ভবনের মালিক রৌশনারা বেগম বলেন, আমি বাসায় ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ মানুষের ডাকাডাকিতে ঘুম ভেঙে গেলে দেখি আশপাশে ধোঁয়া এবং পোড়া গন্ধ। পরে দ্রুত বাসার সামনের রাস্তায় গিয়ে আশ্রয় নেই।আমার বাসার চারতলার ভাড়াটিয়ারা ময়মনসিংহ গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গেছে।তারা কেহ বাসায় ছিলোনা। তাই কারো কোন ক্ষতি হয়নি।সকলে সহযোগিতা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
কুমিল্লা ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শামসুল আলম বলেন, মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ছিলাম, খবর পেয়ে আমি আমার টিম নিয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে যাই।অগ্নিকাণ্ডের মাত্রা অতটা না থাকাতে সচেতন এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে।প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে হয়েছে।










