‘দ্য অলিম্পিক লরেল’ পেলেন ড. ইউনুস
নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিকের ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ‘দ্য অলিম্পিক লরেল’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী বাংলাদেশী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
টোকিওতে গতকাল অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি তাকে এই অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়।
এ অ্যাওয়ার্ড নিয়ে ভার্চুয়াল প্রেস মিটে ইউনুস বলেন, এই অ্যাওয়ার্ডে বাংলাদেশ খুবই গৌরবান্বিত হবে, কেননা বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যারা অলিম্পিক পদকের কাছাকাছি যেতে পারেনি। কিন্তু এখন উদযাপনের উপলক্ষ্য তৈরি হয়েছে তাদের।
এক বিবৃতিতে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) জানিয়েছে, ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মাধ্যমে বিশ্বের দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখা ড. ইউনুস ক্রীড়া উন্নয়নেও বিশাল অবদান রেখেছেন। দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে তাকে এই অ্যাওয়ার্ড দেয়া হলো।
৮১ বছর বয়সী এই অর্থনীতিবিদ ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। গতকাল টোকিও অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরেকটি বিশেষ সন্মাননা পেলেন তিনি।
১৯৮০ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণের প্রসার ঘটান ড. ইউনুস। তার পদক্ষেপের অন্যতম ইউনুস স্পোর্টস হাব, যার মাধ্যমে তিনি সোস্যাল এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন যা কিনা খেলাধুলার মাধ্যমে উন্নয়নকে উৎসাহিত করে।
ড. ইউনুসকে নিয়ে আইওসি প্রেসিডেন্ট টমাস বাখ বলেন, অধ্যাপক ইউনুস আমাদের সবার জন্যই বিশাল একটি অনুপ্রেরণার নাম।
খেলাধুলার মাধ্যমে সংস্কৃতি, শিক্ষা, শান্তি ও উন্নয়নে অবদান রাখার স্বীকৃতি দিতে পাঁচ বছর আগে ‘দ্য অলিম্পিক লরেল’ অ্যাওয়ার্ডের সৃষ্টি করে আইওসি।
খেলাধুলার মাধ্যমে সংস্কৃতি, শিক্ষা, শান্তি ও উন্নয়নে অবদান রাখার স্বীকৃতি দিতে পাঁচ বছর আগে ‘দ্য অলিম্পিক লরেল’ অ্যাওয়ার্ডের সৃষ্টি করে আইওসি।
২০১৬ সালের রিও অলিম্পিক গেমসে প্রথম এই পদক দেয়া হয় কেনিয়ার সাবেক অলিম্পিয়ান কিপ কেউনোকে, যিনি নিজ দেশে শিশুদের জন্য ঘর, একটি স্কুল ও অ্যাথলিটকেদর জন্য একটি ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ করে দেন।
এর আগে, ২০১৬ সালে ব্রাজিলে রিও অলিম্পিকে মশাল বহন করেন ড. ইউনূস। তিনিই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এমন বিরল সম্মান অর্জন করেন।











