20763

শিবগঞ্জ পৌরসভায় ঘরে ঘরে পানি পৌঁছে যাচ্ছে মেয়রের নির্দেশে

নিউজ ডেস্ক: চাঁপাইবনাবগঞ্জে শিবগঞ্জ স্বরনকালে সবচেয়ে বেশী সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। পৌর এলাকার অধিকাংশ নলকূপে পানি উঠছে না। তীব্র দাবদাহ আর পানির সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।

এখানকার হাতে গোনা কয়েকটি নলকূপে সামান্য পানি উঠলেও বেশিরভাগ এলাকার নলকূপে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। এতে রমজান মাসে আরও বিপাকে পড়েছেন তারা।

ads

বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন শিবগঞ্জ পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মনিরুল ইসলাম। তবে সরকারীভাবে এর স্থায়ী সমাধান না পেয়ে অবশেষে মেয়রের নির্দেশে পৌর এলাকায় প্রতিটা ঘরে ঘরে ট্রাকে করে বিশুদ্ধ পানি পৌঁছে দেয়ার নির্দেশ দেন মেয়র।

মেয়রের নির্দেশের পর পৌর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দুইটি ট্রাকে করে পৌরবাসীর দুয়ারে পানি পৌঁছে দেন।

ads

এর আগে গতকাল ১৬ এপ্রিল পানি সংকট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস লিখেন। পাঠকে উদ্দেশ্যে সে স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলোঃ

শিবগঞ্জ পৌরসভার অন্তর্গত বিভিন্ন ওয়ার্ডে যে পানি সংকট তা নিয়ে কিছু কথাঃ

১। আমি মেয়র হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করার আগে থেকেই এই সংকট বিদ্যমান ছিল যা সমাধানের জন্য আমি দায়িত্ব গ্রহনের পর পরেই ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক মহোদয়ের সাথে তাঁর অফিসে স্বশরীরে স্বাক্ষাত করে বিষয়টি অবহিত করে তাগিদ দিয়েছি যেন অতিদ্রুত পাইপ লাইন স্থাপনের কাজটির জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। গত এক সপ্তাহ আগে টেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারী বিধি মোতাবেক টেন্ডার শেষে ঠিকাদার নিয়োগ দিবেন এবং পাইপ লাইন স্থাপনের কাজ শুরু হবে। পাইপ লাইন স্থাপন শেষে বাড়ি বাড়ি পানি পৌঁছে যাবে বলে প্রকল্প পরিচালক মহোদয় জানিয়েছেন। উল্লেখ্য পৌরসভার ৬টি স্থানে ৬টি ডিপটিউবওয়েল স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে আছে। তবে ডিপটিউবওয়েলগুলো প্রায় ৮ মাস আগে থেকেই স্থাপনের কাজ শুরু করে বলে জানতে পরি কিন্তু জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের গড়িমসির করণে পাইপ লাইনের টেন্ডার প্রকাশে বিলম্ব ঘটেছে বলে আমার মনে হয়েছে।

২। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক মহোদয়ের নিকট জানতে পারি যে গত বছরের শুরুতেই ১০০টি সেমি-ডিপটিউবওয়েল শিবগঞ্জ পৌরসভায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যে বরাদ্দকৃত ১০০টি সেমি-ডিপটিউবওয়েলের মধ্য থেকে ৪৫টিই বসানো হয়েছে সাবেক মেয়র মহোদয়ের এলাকায় কতিপয় বিশেষ ব্যক্তির বাড়ির অভ্যন্তরে যেখান থেকে সাধারণ মানুষ পানি নিতে পারছে না। তবে জনগণের ব্যবহারের জন্য সরকারী বরাদ্দের সেমি-ডিপটিউবওয়েল গুলো উন্মুক্ত স্থানে স্থাপন করা উচিত্ ছিল। উল্লেখ্য অবশিষ্ট ৫৫টি সেমি-ডিপটিউবওয়েলের হদিস এখনো মেলেনি।

৩। এমতাবস্থায় পৌরসভায় বিদ্যমান ২টি ডাম্প ট্রাকে পানির ট্যাংক ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযুক্ত করে বিভিন্ন এলাকায় খাবার পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে যা আজ থেকেই কার্যকর হবে। ইনশাআল্লাহ।

ad

পাঠকের মতামত