মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে আমন্ত্রণ
নিউজ ডেস্ক: পারস্পরিক স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক আরও গভীর করার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটনে দুজনের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি টেলি-কথোপকথনে বৈশ্বিক ইস্যুতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এবং সহযোগিতা বাড়াতে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন। আলোচনার শুরুতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্ল্যাঙ্কেন কোভিড পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিধিনিষেধের কারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের সঙ্গে শারীরিকভাবে সাক্ষাৎ করতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় আমেরিকার বিশ্ব নেতৃত্বের ভূমিকা গ্রহণ করে একটি শক্তিশালী জনপ্রিয় ম্যান্ডেট দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ধরে রাখার জন্য নতুন মার্কিন প্রশাসনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি কোভিড মহামারি সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো পরিচালনা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের পদ্ধতিরও প্রশংসা করেছিলেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, মার্কিন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ও টেকসই যোগাযোগ বজায় রেখে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার সম্পর্ককে কৌশলগত স্তরে উন্নীত করতে চায়। এক্ষেত্রে তিনি দু’দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ে সফর বিনিময়কে জোর দিয়েছিলেন।
এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন। তিনি আর্থসামাজিক সাফল্য দেখতে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বর্ণজয়ন্তী উদযাপনে যোগ দিতে দ্রুত সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্লিঙ্কেনকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের “উল্লেখযোগ্য” অর্থনৈতিক পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন, দুটি দেশের মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে আমেরিকা বাংলাদেশকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও সুরক্ষা অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে।
রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবেলায় বাংলাদেশকে মানবিক ও রাজনৈতিক সহায়তার জন্য মার্কিন সরকারকে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। মিয়ানমারের ওপর রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য চাপ তৈরিতে আমেরিকাকে নেতৃত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মিয়ানমারের কিছু ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য মার্কিন সরকারকে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।









