তুরস্কের নির্বাচন, এরদোগান বনাম কিরিচদারোগলু
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: একদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) নেতা এরদোগান, অন্যদিকে রিপাবলিকান পিপলস পার্টির চেয়ারপারসন কেমাল কিলিচদারোগলু। দুইজনের মধ্যে লড়াই হতে যাচ্ছে আসন্ন ১৪ মে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে।
দুই দশক ধরে তুরস্ককে শাসন করছে এরদোগান সরকার। অন্যদিকে কিরিচদারোগলুর নেই সেই অভিজ্ঞতা। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থাকলেও শাসন করার ক্ষেত্রে এরদোগানের চেয়ে পিছিয়ে কিরিচদারোগলু। খবর ডেইলি সাবাহর।
এরদোগানের দুই দশকের অভিজ্ঞতা
২০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার কারণে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বেশ পটু হয়ে উঠেছেন রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্রনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা ও দেশ সামলানোর যোগ্যতা অর্জন করেছেন এরদোগান।
দুই দশক ধরে তুরস্কের সর্বোচ্চ শাসকের মসনদে থেকে বিভিন্ন সময়ে বড় বড় শক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন এরদোগান সরকার।
ইউক্রেন যুদ্ধ নিরসনে ভূমিকা ছিল এরদোগানের। এছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইসরাইল ও মিসরের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছেন তার সরকার।
অনভিজ্ঞ কিরিচদারোগলু
অপরদিকে পররাষ্ট্রনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে কোনো দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে এরদোগানের প্রতিদ্বন্দ্বী কিরিচদারোগলুর। সিরিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলাপ এবং মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন আঞ্চলিক জোট গঠন ব্যতীত তেমন কোনো অবদান নেই তার দল সিএইচপির।
তুরস্কের মূল সমস্যা
গত ফেব্রুয়ারিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্কে নিহত হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। অন্যদিকে মুদ্রাস্ফীতির কারণে টালমাটাল দেশটির অর্থনীতি। এমন সময় নতুন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় বসলে নতুন করে সব বুঝে উঠতে উঠতে সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে।
একইভাবে তুরস্কের মূল সমস্যাগুলো শনাক্ত করতে বেগ পেতে হতে পারে কিরিচদারোগলুর। এদিক থেকেও এগিয়ে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।










