65707

তাইওয়ান ঘিরে মহড়ার পর প্রতিরক্ষা বৈঠকে চীন-ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীন-ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা শুক্রবার জাকার্তায় বৈঠক করছেন। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে যৌথ নৌ মহড়ার কয়েকদিন পর বৈঠকটির আয়োজন করা হলো। ইন্দোনেশিয়ার পক্ষ থেকে এটিকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৈঠকের আগে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’কে স্বাগত জানিয়ে ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী সুগিয়োনো বলেন, এই আলোচনা ভবিষ্যতের কৌশলগত ‘প্ল্যাটফর্ম’ হিসেবে কাজ করবে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামুদ্রিক, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং নিরাপত্তার মতো পাঁচটি ক্ষেত্রে অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেবে।

ads

ইন্দোনেশিয়া তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখে। ‘মুক্ত ও সক্রিয়’ নীতির মাধ্যমে তারা বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে। তবে চলতি মাসের শুরুতে চীনের সঙ্গে মিলে তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে যৌথ নৌ মহড়া চালায় ইন্দোনেশিয়া। তাইপে এটিকে উসকানি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

এদিকে মহড়াটিকে কেবল অনুশীলন বলে বর্ণনা করেছে বেইজিং ও জাকার্তা। তাদের ভাষ্য, রাশিয়ার বন্দরনগরী ভ্লাদিভস্তক থেকে দেশে ফেরার পথে ইন্দোনেশিয়ার একটি ফ্রিগেট ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় মহড়াটি অনুষ্ঠিত হয়।

ads

শুক্রবার ওয়াং ই বলেন, গ্লোবাল সাউথের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি হিসেবে বেইজিং ও জাকার্তার কৌশলগত সমন্বয় বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বর্তমান বিশ্বে একতরফা ও আধিপত্যবাদ দেখা যাচ্ছে। এটি বৈশ্বিক উন্নয়ন এজেন্ডাকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে।

বেইজিং ও জাকার্তার মধ্যে শুক্রবার ‘সমন্বিত কৌশলগত সংলাপ ব্যবস্থা’ নামে পরিচিত নতুন একটি উদ্যোগের ওপর আলোচনা হওয়ার কথা। সম্প্রতি চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হলো উন্নয়ন কৌশলগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো।

গত বছর রাশিয়া ও চীনসহ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকসে যোগ দেয় জাকার্তা। তবে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবো সুবিয়ান্তো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তিও করেছেন। পাশাপাশি তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দিয়েছেন।

ad

পাঠকের মতামত