65385

জাতিসংঘ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে বিশেষ বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় নিযুক্তব্য জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী (ইউএন রেসিডেন্ট কো-অর্ডিনেটর-ডিজাইনেট) নিকোলাস মিন্ট দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উইসমা পুত্রার বহুপক্ষীয় বিষয়ক উপ-মহাসচিব ড. আহমদ ফয়সাল বিন মুহাম্মদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

শুক্রবার, সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ জাতিসংঘকে আরও সমন্বিত, দক্ষ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে চলমান ইউএন ৮০ সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় জাতিসংঘের কান্ট্রি টিম, দেশটির সরকার এবং জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন সুযোগ নিয়েও মতবিনিময় হয়।

ads

বৈঠকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, বিশেষ করে আসিয়ানের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার ইতিবাচক আঞ্চলিক ভূমিকার প্রশংসা করা হয়। পাশাপাশি মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন জাতিসংঘ সংস্থাকে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার ফলে সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরও কার্যকর হয়েছে এবং দেশটিতে জাতিসংঘের উপস্থিতি ও কার্যক্রম শক্তিশালী হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

নিকোলাস মিন্ট বলেন, টেকসই উন্নয়ন, শান্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে জাতিসংঘের অংশীদারত্ব আরও গভীর করতে তিনি আগ্রহী।

ads

এদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ভুয়া তথ্য (মিসইনফরমেশন) এবং তথ্যের অখণ্ডতা (ইনফরমেশন ইন্টেগ্রিটি) নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বারোপ করেছে জাতিসংঘ।

এ উপলক্ষে মালয়েশিয়ায় জাতিসংঘের কান্ট্রি টিম এবং জাতিসংঘ কমিউনিকেশনস গ্রুপ সম্প্রতি জাতিসংঘের গ্লোবাল কমিউনিকেশন্সবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল মেলিসা ফ্লেমিংয়ের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেয়।

সভায় এআই প্রযুক্তিতে বিদ্যমান পক্ষপাত (এআই বায়াস), ভুয়া তথ্য ও ঘৃণামূলক বক্তব্যের (হেট স্পিচ) ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং শান্তি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একটি নির্ভরযোগ্য ও সুস্থ তথ্য-পরিবেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মেলিসা ফ্লেমিং জাতিসংঘের ‘৩আর’ কৌশল রিসার্চ, রেট রিস্ক এবং রেসপন্ড তুলে ধরে বলেন, তথ্য বিভ্রান্তি মোকাবিলায় গবেষণা, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং দ্রুত ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, জনগণের চাহিদা ও আগ্রহকে কেন্দ্র করে এমন যোগাযোগ কৌশল গ্রহণ করতে হবে, যা জাতিসংঘের কার্যক্রম ও ইতিবাচক প্রভাবকে মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরবে। একই সঙ্গে সংস্থাটির মৌলিক নীতি, মূল্যবোধ ও তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা অক্ষুণ্ন রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।

ad

পাঠকের মতামত