45695

প্রিগোজিনের মৃত্যুতে যা বলছেন বাইডেন ও ইলন মাস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা ওয়াগনার গোষ্ঠীর প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন বিমান ‘দুর্ঘটনায়’ মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে রহস্য দেখছেন অনেকেই।

সম্প্রতি রাশিয়ার টাভার অঞ্চলে কুজেনকিনো নামক গ্রামের কাছে একটি এমব্রেয়ার বিমান ভেঙে পড়ে। বিমানটিতে তিনজন পাইলট এবং সাতজন যাত্রী ছিলেন।, তাদের সবাই মারা যান দুর্ঘটনায়। জানা গেছে, বিমানটি শেরেমেটিয়েভো বিমানবন্দর থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গ যাচ্ছিল। সেই বিমানেই ছিলেন প্রিগোজিন। রুশ কর্তৃপক্ষ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

ads

প্রিগোজিনের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, ‘আমি জানি না ঠিক কী ঘটেছে। কিন্তু আমি বিস্মিত নই। রাশিয়ায় এমন কোনও কিছুই ঘটে না যার পিছনে পুতিনের হাত নেই।’

এ ঘটনা প্রসঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক বলেছেন, ‘আমি প্রত্যাশা করেছিলাম যে আরও আগে প্রিগোজিন মারা যাবেন।’

ads

উল্লেখ্য, ছোট ব্যবসায়ী থেকে ভাড়াটে সেনার প্রধান হয়ে ওঠা ইয়েভজেনি কয়েকদিন আগেও পুতিনের বেশ ঘনিষ্ট হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। ইউক্রেন যুদ্ধে ইয়েভজেনির ভাড়াটে সৈনিকরা বড় ভূমিকা পালন করছে। শুধু ইউক্রেন নয়, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা যেখানেই রাশিয়া ‘ছায়া যুদ্ধে’ লিপ্ত, সেখানেই ওয়াগনার গোষ্ঠী পুতিনের হয়ে লড়েছে।

৬২ বছর বয়সি ইয়েভজেনি প্রিগোজিনের জন্ম সেন্ট পিটার্সবার্গে। সেখানেই জন্ম পুতিনেরও। সোভিয়েত জমানায় এই শহরের নাম ছিল লেনিনগ্রাদ। সেখানেই প্রথমে একটি ছোট্ট হটডগের ঠেলা দিয়ে উপার্জন শুরু করেছিলেন ইয়েভজেনি। পরবর্তীতে একটি বড় রেস্তোরাঁ হয় তাঁর। ইয়েভজেনির এই রেস্তোরাঁর ওপর নজর পড়ে পুতিনের। নিজে ক্ষমতায় আসার পর সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাককে এই রেস্তোরাঁয় নিয়ে গিয়েছিলেন পুতিন।

ad

পাঠকের মতামত