স্ত্রী সোফির সঙ্গে বিচ্ছেদের পর জীবন সম্পর্কে মুখ খুললেন জাস্টিন ট্রুডো
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো তার পরিবার সম্পর্কে এই প্রথম প্রকাশ্যে মুখ খুললেন। তাঁকে সমর্থন জানানোর জন্য কানাডিয়ানদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রুডো। তিনি এবং তার স্ত্রী, সোফি ১৮ বছরের বিবাহিত জীবনের পর আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দুজনেই এই মাসের শুরুর দিকে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন, সেইসঙ্গে তাঁরা যোগ করেন আলাদা থাকলেও পারিবারিক ছুটি কাটানোর সময়ে তাঁরা একসঙ্গে উপস্থিত থাকবেন । সোমবার, ট্রুডো ছুটি থেকে ফিরে আসার সাথে সাথে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি কেমন আছেন। কর্নওয়ালে একটি সংবাদ সম্মেলনে ট্রুডো বলেন, ” প্রথমে আমি সেই সমস্ত ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও ইতিবাচকবার্তা পাঠিয়েছেন, সেগুলি সত্যিই খুব সুন্দর ছিল। ” বিচ্ছেদ ঘোষণার পর এটাই ছিল তার প্রথম সংবাদ সম্মেলন।
তিনি বলেন- “আমি শিশুদের দিকে নজর দেবার জন্য, একসাথে থাকার এবং জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবারের সাথে ১০ দিন কাটানোর সুযোগ পেয়েছি। ”ট্রুডো, কানাডার অন্যতম বিখ্যাত রাজনীতিবিদদের একজন। ৫১ বছর বয়সী ট্রুডো ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন। সোফি ট্রুডো একজন প্রাক্তন মডেল এবং টিভি হোস্ট।
এই দম্পতি ২০০৫ সালে বিয়ে করেছিলেন। একসঙ্গে, এই তারকা দম্পতি ভোগ ম্যাগাজিনের পাতায় একাধিকবার হাজির হয়েছেন। তাদের তিনটি সন্তান রয়েছে, ১৫ বছরের জেভিয়ার, ১৪ বছরের বয়সী এলা-গ্রেস এবং ৯ বছর বয়সী হ্যাড্রিয়েন। সোফি ট্রুডোকে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে খুব কমই সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে। গত মাসে অটোয়াতে কানাডা দিবসের অনুষ্ঠানে দুজনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। জাস্টিন ট্রুডোর সোফি গ্রেগোয়ার সাথে ছোটবেলায় দেখা হয়েছিল যখন তিনি তার কনিষ্ঠ ভাই মিশেলের সহপাঠী ছিলেন। ট্রুডো দেশের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি পদে থাকাকালীন বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। তার বাবা পিয়েরে ট্রুডো এবং মা মার্গারেট ট্রুডো ১৯৭৭ সাল থেকে আলাদা থাকতে শুরু করেন এবং১৯৮৪ সালে তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় ।
সূত্র : গালফ নিউজ









