45217

নাইজারে অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিচ্ছে ওয়াগনার: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নাইজারে সামরিক অভ্যুত্থানে সৃষ্টি অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিচ্ছে রাশিয়ার ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপ। মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে এ কথা বলেছেন।

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজুমকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে নাইজারের সেনাবাহিনী। এর পর থেকে দেশটি জান্তার শাসনে রয়েছে।

ads

বিবিসি’র খবরে বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের নেতারা ওয়াগনার গ্রুপের সহযোগিতা চেয়েছেন বলে কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। প্রতিবেশী দেশ মালিতে ওয়াগনার যোদ্ধাদের উপস্থিতি রয়েছে।

ব্লিঙ্কেন বলেছেন, তিনি মনে করেন না রাশিয়া বা ওয়াগনার নাইজারে অভ্যুত্থানে উসকানি দিয়েছে। তবে বাহিনীটি সাহেল অঞ্চলের একাংশে নিজেদের উপস্থিতি সম্ভবত বাড়াচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ।

ads

তিনি বলেছেন, আমি মনে করি নাইজারে যা ঘটেছে এবং ঘটছে তাতে রাশিয়া বা ওয়াগনারের উসকানি নেই। কিন্তু তারা এর সুবিধা নিতে চাইছে। ওয়াগনার যেখানেই গেছে সেখানে মৃত্যু, ধ্বংস ও শোষণ হয়েছে। অনিশ্চয়তা কমেনি, বেড়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অপর দেশগুলোতে তারা খারাপ কিছু ছাড়া ভালো কিছু নিয়ে আসেনি, এটির পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

ধারণা করা হয়, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ও মালিতে কয়েক হাজার যোদ্ধা রয়েছে ওয়াগনার বাহিনীর। দেশ দুটিতে বাহিনীটির লোভনীয় বাণিজ্যিক স্বার্থ রয়েছে। একই সঙ্গে তারা রাশিয়ার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করছে। আফ্রিকার দেশগুলোতে ওয়াগনারের বিরুদ্ধে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। এরপরও নাইজার সেনাবাহিনী সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে বাহিনীটির সহযোগিতা চেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পশ্চিম আফ্রিকার ১৫টি দেশ নিয়ে গঠিত সংস্থা ইকোনমিক কমিউনিটি অব ওয়াস্টার্ন আফ্রিকান স্টেটস (ইকোয়াস)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে রবিবারের (৬ আগস্ট) মধ্যে শাসনক্ষমতা গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ন্যাস্ত করার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতে কান দেয়নি জান্তা। পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সংস্থাটি।

ad

পাঠকের মতামত