36172

‘মহামারী চলাকালে তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন কিম’

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ উত্তর কোরিয়ায় করোনাভাইরাস ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশটির প্রেসিডেন্ট কিম জং উন জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন।

‘তার শরীরে ভাইরাস ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছিল’ বলছিলেন কিমের বোন কিম ইয়ো জং।

ads

যখন করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশের বিজয় ঘোষণা করছেন তার ভাই উন; তখন এই কথাগুলো বলছিলেন কিম ইয়ো জং। খবর বিবিসির।

দেশটিতে করোনা ছড়িয়ে পড়ার জন্য তিনি দক্ষিণ কোরিয়াকে দায়ী করছেন। তার দাবি, দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্ত দিয়ে লিফলেটের মাধ্যমে করোনার জীবাণু পাঠিয়েছে।

ads

তবে দক্ষিণ কোরিয়া এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

গোপন দেশ হিসেবে খ্যাত উত্তর কোরিয়া গত মে মাসে দেশটিকে প্রথম করোনা শনাক্তের কথা স্বীকার করে। তখন থেকে জ্বরে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করে। কিন্তু তথ্য নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ রয়েছে বিশেষ করে মৃত্যুর সংখ্যা খু্বই কম তুলে ধরা হয়েছে।

দেশটির ক্ষমতাধর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জং তার ভাষণে বলছিলেন, দক্ষিণ কোরিয়া পিয়ংইয়ং বিরোধী লিফলেটের মাধ্যমে সীমান্ত দিয়ে উত্তর কোরিয়ায় করোনা ছড়িয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার আন্দোলনকারীরা কয়েক দশক ধরে এই কাজটি করছেন। তারা বেলুন ভাসিয়ে প্রচারণামূলক লিফলেট উত্তর কোরিয়ায় পাঠাতেন।

অবশ্য গত বছর এই কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্যের বিষয়ে বোন জং আরও বলেন, সেসময় উন তীব্র জ্বরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু তিনি দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে মহামারীর করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এক মুহূর্তও বিশ্রাম নেননি।

পরীক্ষার সরঞ্জামের অভাবে উত্তর কোরিয়ায় বেশিরভাগ করোনা শনাক্ত করা যায়নি। দেশব্যাপী বিপুল মানুষ করোনা আক্রান্ত হলেও এটিকে ‘জ্বরে আক্রান্ত’ বলেই অভিহিত করা হতো।

ad

পাঠকের মতামত