বজ্রপাত ও পরিবেশ বিপর্যয় রোধে চৌদ্দগ্রামে তালগাছের বীজ রোপণ
তৌহিদ খন্দকার তপু।। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা এবং পরিবেশে ভারসাম্য ফিরে পেতে তালগাছের বীজ রোপন করা হয়েছে। পাশাপাশি তালগাছের উপকারিতা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা হয়েছে। রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার বালুজুড়ি এলাকায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী তাল বীজ রোপন কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র জি এম মীর হোসেন মীরু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস,এম, মঞ্জুরুল হক, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাসির উদ্দিন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সুব্রত রায়, সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ আবদুল হালিম, উপসহকারি কৃষি অফিসার মোঃ আতিকুর রহমান, পৌরসভার উপ সহকারি কৃষি অফিসার মোঃ আরিফ সোলায়মান সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
এই সময় উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন- প্রতিবছর বজ্রপাতে বহু লোক মারা যান যার সিংহভাগই কৃষি শ্রমজীবি মানুষ। তাই বজ্রপাতের ঝুঁকি নিরসনে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা এর সম্মানিত উপপরিচালক মহোদয়ের পরামর্শ ও নির্দেশনায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় কমপক্ষে ২০০০ তাল বীজের চারা রোপন কর্মসূচীর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সপ্তাহব্যাপি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ কর্মসূচী চলমান থাকবে। তিনি উপজেলার সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। চৌদ্দগ্রাম পৌর মেয়র জি এম মীর হোসেন মীরু বলেন -“এক সময় দেশে প্রচুর তাল, খেজুর, নারিকেল ও সুপারি গাছ ছিল। সে সময় বজ্রপাত হতো এসব গাছের ওপর। ফলে বজ্রের আঘাত নিচে নেমে আসত না এবং মানুষ বেঁচে যেত। বজ্রপাত থেকে রক্ষায় তালগাছ রোপণের উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও এই গাছের নানা উপকারিতা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার
এস,এম,মঞ্জুরুল হক বলেন-আমাদের দেশে তালগাছ কমে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমের প্রায় সময় বজ্রপাতে হতাহতের ঘটনা ঘটে থাকে। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা এবং পরিবেশে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে বেশি বেশি তাল বীজ বা চারা রোপন করতে হবে। তাল গাছ কৃষকের বন্ধু এই গাছকে যত্ন করতে হবে।এর পাশাপাশি প্রত্যেকের বাড়িতে দু’চারটি করে তালগাছের বীজ রোপনের আহ্বান জানান।









