কুমিল্লার তিতাসে দুই শিশুসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
এদের মধ্যে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের দুই কন্যা শিশু তাদের দাদির সঙ্গে গোমতী নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের প্রায় ২৩ ঘণ্টা পর গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরে ওই দুই শিশুর মরদেহ নদীতে ভেসে উঠে।
এছাড়া একই দিন সকালে উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রাম থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার দুপুরে উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মহসিন মিয়ার মেয়ে মনিজা আক্তার (৭) ও তার ভাই হোসেন মিয়ার মেয়ে ফাতেমা আক্তার (৬) তাদের দাদির সঙ্গে গোমতী নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়। এরপর এলাকার লোকজন তাদের খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে। পরে চাঁদপুর থেকে একদল ডুবুরি এসে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পায়নি। গতকাল দুপুরে গোমতী নদীর ওই স্থানেই তাদের মরদেহ ভেসে উঠে। পরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে এলাকাবাসী।
এদিকে গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর সকালে একই উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের ইসমাঈল মিয়ার ছেলে মো. ইব্রাহিম মিয়ার (২২) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে তিতাস থানা পুলিশ।
পরিবারের দাবি, পারিবারিক কলহের জের ধরে শুক্রবার গভীর রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আহসানুল হক জানান, শিশুদের নিয়ে নদীতে গোসল করতে গেলে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। তাহলে এমন দুর্ঘটনা থেকে শিশুরা রক্ষা পাবে।









