30025

বিএমএসএফ কারো রক্তচক্ষুকে ভয় পায়না- কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ

নিউজ ডেস্কঃ অসহায় নিপিড়িত অবহেলীত,নির্যাতিত সাংবাদিকদের পাশে থাকার জন্যই জন্ম হয়েছে বিএমএসএফ এর। কারও রক্ত চক্ষুকে ভয় পায় না বিএমএসএফ। গত ১০ বছরে রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে সাংবাদিকদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বিএমএসএফ। ইতিমধ্যে মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য ঢাকায় শেল্টার হোম, পুরানো পল্টন এলাকা থেকে অফিস সরিয়ে বড় পরিসরে মতিঝিলস্হ এলাকায় কার্যালয় স্হানান্তর করা, সাংবাদিক প্রশিক্ষন সহ সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন প্রনয়নের দাবী সহ নানা কর্মসুচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অবহেলীত, নির্যাতীত ও নিপিড়িত সাংবাদিকদের অধীকার নিয়ে কথা বলে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)। তৃনমূল সাংবাদিকদের বৃহৎ সংগঠন বিএমএসএফ এখন নির্যাতিত নিপীড়িত ও পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন।

ads

ব্রান্মনবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনী জেলা বিএমএসএফ কর্তৃক আয়োজিত পৃথক পৃথক মত বিনিময় সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

কুমিল্লা জেলা আহবায়ক কমিটির আহবায়ক জসিমউদ্দিন চাষীর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ন আহবায়ক এম এইচ মহিউদ্দিন এর সঞ্চালনায় সভা অনুষ্টিত হয় এবং ফেনী বিএমএসএফ এর সাবেক সভাপতি জসিম মাহমুদের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাসনাত তুহিনের সমন্বয়ে প্রধান অতিথী ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শহিদুল ইসলাম পাইলট বিশেষ অতিথী ছিলেন সিনিয়র সহ সভাপতি সাইদুর রহমান রিমন।

ads

সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক আহম্মেদ আবু জাফর, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্রগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী এম এ আকরাম।

এ সময় উপস্হিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সম্পাদক আরেফীন সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল কবির সোহেল সর্দার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাসনাত তুহিন,অর্থ সম্পাদক শারমিন সুলতানা মিতু,উপ প্রচার সম্পাদক জুয়েল খন্দকার, ফেনী জেলা বিএমএসএফ নেতা এম এ সাইদ খান,এম এ তাহের পন্ডিত,ছিদ্দিকুর রহমান,তোফায়েল ইসলাম মিলন,আহমেদ হিমেল ও গাজী মো: হানিফ প্রমুখ।

এর আগে ব্রান্মনবাড়িয়ার রিপোটাস ক্লাবে আমিনুল ইসলাম আহাদের সঞ্চালনায় সকাল ১১ টায় অনুষ্টিত জেলা বিএমএসএফ নেতাকর্মীদের সাথে মত বিনিময় সভার মধ্যদিয়ে দিনের সাংগঠনিক কর্মসুচী শুরু হয়।এর পর কসবা উপজেলা বিএমএসএফ এর নেতৃবৃন্দের সাথেও কেন্দ্রীয় কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়।
এ ছাড়া ব্রান্মনবাড়িয়ায় বিএমএসএফ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আহাদের মাতার কবর জিয়ারত করেন নেতৃবৃন্দ।

টানা ৩৬ ঘন্টা সাংগঠনিক সফরে কেন্দ্রীয় সভাপতি শহিদুল ইসলাম পাইলট সহ নেতৃবৃন্দের উপস্হিতিতে তিনটি জেলার নেতা কর্মীদের মাঝে প্রান চাঞ্চল্যতা ফিরে আসে।

ad

পাঠকের মতামত