বৈঠক শেষে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপরে চেয়ারম্যান কে এম তারিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ স্থলবন্দর সমূহের অবকাঠামোগত উন্নয়ন পন্য অপারেশনের সমস্যাদি সমাধান করতে দুইদেশের বন্দর স্টক হোল্ডারদের সমন্বয়ে গঠিত ম্যানেজমেন্ট স্ট্রাকচার কমিটি গঠিত হয়েছে। সেই কমিটির তৃতীয় সভায় কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ads
বন্দর উন্নয়নে সর্বপ্রথম কুমিল্লার বিবির বাজার এবং শ্রীমন্তপুর এই দুইটি স্থল বন্দর পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিদর্শন শেষে তত্ত্ব অভিজ্ঞতা এবং দুইদেশের ১০টি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় স্থলবন্দর সমূহের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দুইদেশে প্রবেশ করা পরিবহনের পন্য দ্রুত খালাস করা, করোনাকালিন সময়ের কারণে শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইনের সুবিধাদি এবং যাত্রীদের সুক্ষভাবে চলাফেরার ব্যবস্থাসহ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এই বৈঠকে। এর মধ্যে অনেকটি বিষয়ে আমরা দুইদেশের প্রতিনিধিরা একমত হয়েছি। এর সুফল আমরা দ্রুত পাবো বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
এর আগে এই কথা জানান, ভারত স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শ্রিয়াদিয়া মিশ্র।
ads
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারত প্রতিনিধি দলের দশজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপরে চেয়ারম্যানসহ বাংলাদেশস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের একটি গাড়ী দ ৫৭-২২৭৯ যোগে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার ইমিগ্রেশন অফিসে উপস্থিত হন। ইমিগ্রেশন অফিস থেকে পায়ে হেঠে পূর্বা নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল দুপুর ১২টার সময় ভারতে গমন করেন। সেখানে প্রায় ৫০ মিনিটের মিটিং শেষ করে ১টায় ভারতীয় ০৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলসহ ভারতীয় ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম শেষ করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এর বিকাল প্রায় ২টায় দুই দেশের প্রতিনিধি দলের গাড়ী বহর বিবির বাজারস্থ বেক্সিমকো গ্রুপ কর্তৃক পরিচালিত স্থবন্দর ভবনে উপস্থিত হয়ে আলাপ-আলোচনা করেন এবং নাস্তা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে উভয় প্রতিনিধি দল বন্দরের ওয়ার হাউজ পরিদর্শন শেষে কুমিল্লা সার্কিট হাউজে উপস্থিত হন। সেখানে দুপুরের খাবার শেষ করে কিছুণ বিশ্রাম নিয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনে দুইদেশের স্থলবন্দরের নানা সমস্যা ও সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।