61292

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে গোলটেবিল বৈঠক

নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা কাঠামোতে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাম্প্রতিক সংস্কার, কারিকুলাম পরিবর্তন, কারিগরি শিক্ষা ও এআই প্রযুক্তি সংযোজনের উদ্যোগকে বিশেষভাবে প্রশংসা করেন ব্রিটিশ এমপি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা।

গত ২৬ নভেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাজ্যের স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির মধ্যে ডেটা সায়েন্স, মেশিন লারনিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, পাবলিক হেলথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাডেমিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। তার ধারাবাহিকতায় হাউস অব কমন্সে গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করেন বৃহত্তর ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম, ওল্ডহ্যামের এমপি জিম ম্যাকমেহোন এবং কাউন্সিলর আব্দুল জব্বার।

ads

অনুষ্ঠানের মূল বক্তা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রের প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়াশোনা করে। তাদের ভবিষ্যৎ গড়তে কারিগরি শিক্ষা, এআই প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। তিনি জানান, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইতোমধ্যে একাধিক সহযোগিতা চুক্তি করা হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে ব্রিটিশ এমপি জিম ম্যাকমেহোন আলোচনার শুরুতে বলেন, বৈশ্বিক সহযোগিতা ছাড়া কোনো শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মান উন্নয়নে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তা যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে সমর্থন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ads

গ্রেটার ম্যানচেস্টার বাংলাদেশ পার্টনারশিপের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার বলেন, দক্ষ জনবল তৈরির জন্য আধুনিক কারিগরি ও ডিজিটাল শিক্ষা এখন সময়ের দাবি।

স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল এনগেজমেন্টের প্রতিনিধি অধ্যাপক নিক বিচ ও ডেটা সায়েন্সের অধ্যাপক ড. মো. সারে জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে তারা কাজ করতে আগ্রহী এবং সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

এছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি নূরানী রোপমা, ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাউথ এশিয়ার ডিরেক্টর ডেভিড নক্স, স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির উপ–উপাচার্য অধ্যাপক ভিকি, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক পলসহ ব্রিটিশ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা। তারা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের কার্যক্রমকে ইতিবাচক বলেন।

ad

পাঠকের মতামত