সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে বৈঠক ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সৌদি আরব ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে তিন দিনের সৌদি আরবের সফরে গিয়েছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি শনিবার সৌদি আরবে পৌঁছন। জেদ্দায় সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন বিন আবদুল আজিজের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লেখা চিঠি ক্রাউন প্রিন্স মহম্মদ বিন সলমনকে দেন বলে জানা গিয়েছে।

সৌদি যুবরাজকে চিঠি নরেন্দ্র মোদীর
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর এস জয়শঙ্কর প্রথমবারের জন্য সৌদি সফরে গিয়েছেন। রবিবার জেদ্দায় সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মহম্মদ বিন সলমনের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লেখা চিঠি মহম্মদ বিন সলমনকে দেন। সৌদি যুরবাজের সঙ্গে জয়শঙ্করের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও একাধিক আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে।

টুইট বিদেশমন্ত্রীর
সৌদি যুবরাজের সঙ্গে বৈঠকের পর টুইট করে জয়শঙ্কর জানান, ‘মহম্মদ বিন সলমনের সঙ্গে দেখা করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তাঁকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে তিনি সৌদি যুবরাজকে আহ্বান জানিয়েছেন। আমাদের সম্পর্কে মূল্যবান মতামত দেওয়ার জন্য মহম্মদ বিন সলমনকে ধন্যবাদ।’

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক
মহম্মদ বিন সলমনের আগে রিয়াধে জয়শঙ্কর সৌদি আরবের বিদেশমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সল বিন ফারহানের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁর সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জয়শঙ্কর জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতি নিয়ে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়। তাঁরা জি-২০ ও আরও বেশ কয়েকটি বহুপাক্ষিক সংগঠনের সঙ্গে একত্রে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন বলে জয়শঙ্কর জানিয়েছেন। জয়শঙ্কর সৌদি আরবের প্রিন্স সৌদ আল ফয়সাল ইনস্টিটিউট অফ ডিপ্লোম্যাটিক স্টাডিজে বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।
ভারত-সৌদি দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ
সৌদি আরবের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। সৌদি আরব ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। ভারতে অপরিশোধিত তেল আমদানির ১৮ শতাংশ সৌদি আরব থেকে আসে। এছাড়াও ভারতীয় দূতাবাসের পরিসংখ্যান বলছে, সৌদি আরবে ২.২ মিলিয়ন প্রবাসী ভারতীয় বাস করেন। সৌদি আরবে প্রবাসীদের মধ্যে ভারতীয় সম্প্রদায় সব থেকে বড় বলেই ভারতীয় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, করোনা মহামারীর সময় দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।









