করোনার নতুন স্ট্রেনের জেরে বন্ধ করা হচ্ছে সৌদি আরব, কুয়েত ও ওমানের সীমান্ত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নতুন স্ট্রেনের করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার উদ্বেগ থেকে সীমান্ত বন্ধ করে দিচ্ছে সৌদি আরব, কুয়েত ও ওমান। উপসাগরীয় এই দেশ জানিয়েছে, একই সঙ্গে বন্ধ রাখা হচ্ছে সব ধরনের বাণিজ্যিক ফ্লাইট। ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য মিলেছে।
ব্রিটেনের তরফ থেকে নতুন স্ট্রেনের করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার স্বীকারোক্তি দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই৷ এরপর ব্রিটেনের বেশ কয়েকটি দেশে ভ্রমণ বাতিল করা হয়েছে। আরও কয়েকটি দেশ একই পদক্ষেপের দিকে এগোনোর পরিকল্পনা করছে। রবিবার ব্রিটিশ সরকারের ওই ঘোষণার পর প্রথমে কয়েকটি দেশ এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বহু দেশ সেই পথ অনুসরণ করছে।এই কঠিন পরিস্থিতিতে জরুরি বৈঠক আহ্বান ডেকেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
নতুন স্ট্রেনের করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই গত রবিবার স্থল ও নৌ সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি আরব। বাতিল করা হয়েছে সকল আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। তবে বর্তমানে দেশে উপস্থিত সব বিদেশি ফ্লাইটকে ফেরত যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে সৌদির তরফ থেকে। তবে এখনও যে যে দেশে নতুন স্ট্রেনের করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা যায়নি সেই দেশগুলি থেকে পণ্য পরিবহন অব্যাহত রাখা হবে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
কুয়েত কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সোমবার সকাল ১১টা থেকে আগামী ১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাতিল থাকবে সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট। এছাড়া বন্ধ থাকবে স্থল ও নৌ সীমান্ত। শুধুমাত্র পণ্য পরিবহন জারি রাখা হবে।
ওমানের ক্ষেত্রেও জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে স্থল, নৌ ও আকাশ সীমান্ত বন্ধ থাকবে ৷
প্রসঙ্গত, দেখা দিয়েছে করোনা মহামারির নয়া রূপ ৷ বছর শেষে নতুন করে আতঙ্কিত গোটা দুনিয়া, থাবা বসিয়েছে করোনার নতুন স্ট্রেন। ব্রিটেনে প্রথম হদিশ মেলে করোনার এই নতুন স্ট্রেনের। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই স্ট্রেন আগের তুলনায় বেশি শক্তিশালী, ছড়াচ্ছেও তুলনামূলক দ্রুত গতিতে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম ব্রিটিশ প্রশাসন। দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ড এবং লন্ডনে নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করেছে বরিস জনসনের সরকার।









