63879

নির্বাচন কমিশনকে ২০ লাখ ডলার সহায়তা দেবে কানাডা

নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলকভাবে অনুষ্ঠানে সহায়তা করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ২০ লাখ কানাডিয়ান ডলার (২ মিলিয়ন) অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। ‘ব্যালট’ প্রকল্পের আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হবে।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফান লিলার এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এই চুক্তিতে সই করেন। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

ads

চুক্তি স্বাক্ষর শেষে কানাডিয়ান হাইকমিশনার অজিত সিং বলেন, আমি বিশ্বাসযোগ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের অগ্রগতিতে গর্বিত। কানাডা অবশ্যই বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদার এবং বন্ধু। আমরা আপনাদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে ১ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি-কানাডিয়ান দুই দেশের সম্পর্কের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নির্বাচন হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে কী ঘটে তা কানাডা এবং বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ। কানাডা বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে।

ads

অনুষ্ঠানে ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফান লিলার কানাডা সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য জাতিসংঘের এই কনসোর্টিয়ামকে সমর্থন দেওয়ায় আমি কানাডার করদাতাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

তিনি আরও জানান, গত এক বছর ধরে ইউনেস্কো, জাতিসংঘ নারী, ইউএনওডিসি এবং ইউএনডিপি—এই চারটি সংস্থা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছে। কানাডার এই নতুন তহবিল সেই প্রচেষ্টাকে আরও বেগবান করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা অপপ্রচার রোধ এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছি। জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে সক্ষমতা বাড়াতে এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর এখন ঢাকার দিকে। কানাডার এই অনুদান মূলত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কারিগরি ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে।

ad

পাঠকের মতামত