জ্বালানি সংকটে তেল রফতানি বাড়ানোর আশ্বাস কানাডার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মনে করা হচ্ছিল বিশ্ববাজারে তেলের দারুণ সংকট পড়বে। এরই মধ্যে পাঁচ শতাংশ তেল রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব বলে জানিয়েছে কানাডা। তারা ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে এই তেল রফতানি করবে।
জ্বালানি সংকটে তেল রফতানি বাড়ানোর আশ্বাস কানাডার
বিশ্ববাজারে তেল ব্যবসায় রাশিয়ার যেন একচ্ছত্র আধিপত্য। ইউরোপের বেশির ভাগ দেশে তেল রফতানি করে রাশিয়া। তারা ব্যাপকভাবে রাশিয়ার গ্যাস এবং তেলের ওপর নির্ভরশীল। রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর থেকেই ইউরোপের দেশগুলি জ্বালানি সংকটে পড়েছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরেও গ্যাস এবং তেল আমদানি বন্ধ করতে পারেনি। এই সুযোগ ভালোই কাজে লাগিয়েছে রাশিয়া। তারা জানিয়েছে, এখন থেকে জ্বালানি কিনতে হলে রুবল দিয়ে কিনতে হবে। ইউরো দেওয়া যাবে না।
এই সংকটের মধ্যেই স্বস্তির কথা জানিয়েছে কানাডা। প্রাকৃতিক গ্যাস আর তেলের ভাণ্ডারে সমৃদ্ধ কানাডা। বৃহস্পতিবার কানাডার সরকার জানায়, তারা এই সংকটকালে জ্বালানির সরবরাহ ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করবে। যাতে এই সংকট দ্রুতই কাটিয়ে উঠতে পারে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। মূলত এই বৃদ্ধির ফলে প্রতিদিন তিন লাখ অতিরিক্ত ব্যারেল তেল রফতানি সম্ভব। সংকটাকালে সাময়িকভাবে এই তেল সমস্যার সমাধান করবে বলেই মনে করছেন কূটনীতিকরা।
রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরুর পর অনেক দেশই ইউক্রেনে অভিযান শুরু করার আগেই ইউরোপের বহু দেশ রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করতে শুরু করেছিল। ইউক্রেন আক্রমণের পরে রাশিয়াকে কার্যত একঘরে করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাশিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করা ইউরোপের পক্ষে সম্ভব নয়। রাশিয়ার পাঠানো গ্যাসের ওপর ইউরোপের অধিকাংশ দেশ অনেকাংশে নির্ভরশীল। নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও এখনো রাশিয়া থেকে গ্যাস নিচ্ছে জার্মানির মতো দেশগুলো।
এই পরিস্থিতির ভালোই সুযোগ নিয়েছে রাশিয়া। তারা হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেয় রুবলে গ্যাসের দাম নেবে। এর ফলে রুবলের দাম উঠবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। কিন্তু পুতিনের এই প্রস্তাবে রাজি নয় জার্মানিসহ ইউরোপের দেশগুলো।











