থাইল্যান্ডের নির্বাচনে রক্ষণশীল শিবিরের জয়: প্রধানমন্ত্রী আনুতিনের প্রত্যাবর্তন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের দল ভুমজাইথাই পার্টি। গত রোববারের এই নির্বাচনে ৫০০ আসনের সংসদীয় লড়াইয়ে প্রায় ২০০টি আসন জিতে শীর্ষস্থান দখল করেছে তারা।
এবারের নির্বাচন মূলত ছিল ত্রিমুখী লড়াই—যেখানে আনুতিনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল সংস্কারপন্থী পিপলস পার্টি এবং প্রভাবশালী শিনাওয়াত্রা পরিবার সমর্থিত ফিউ থাই পার্টি। ব্যাংককে দলীয় কার্যালয়ে বিজয় ভাষণে আনুতিন বলেন, এই বিজয় সব থাই নাগরিকের, তারা ভোট দিন বা না দিন।
অন্যদিকে, পরাজয় মেনে নিয়েছেন পিপলস পার্টির নেতা নাথাফং রুয়েংপানয়াউত। ১১৬টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এই তরুণ নেতা জানান, প্রথম হওয়া দলের সরকার গঠনের অধিকারকে তারা সম্মান করেন।
সাংবিধানিক পরিবর্তনের হাতছানি ভোটের দিন থাই নাগরিকরা একটি গুরুত্বপূর্ণ গণভোটেও অংশ নিয়েছেন। ২০১৭ সালের সামরিক সমর্থিত সংবিধান পরিবর্তন করা হবে কি না, তা নির্ধারণে এই ভোট নেওয়া হয়। যদি অধিকাংশ ভোটার সংবিধান পরিবর্তনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন, তবে নতুন সংবিধান প্রণয়নের জটিল প্রক্রিয়া শুরু হবে।
অস্থিতিশীলতার ইতিহাস থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক ইতিহাস বেশ বৈচিত্র্যময় ও সংকটাপন্ন। ১৯৩২ সালে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশটিতে এ পর্যন্ত ১৩ বার সফল সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে। এমনকি ২০২৩ সালের নির্বাচনের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে তিনজন প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছেন। এই জয় আনুতিনের জন্য যেমন বড় অর্জন, তেমনি দেশটির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে এক বড় চ্যালেঞ্জ।










