63778

২০তম নিষেধাজ্ঞা: রাশিয়াকে আলোচনায় আনতে চাপ বাড়াচ্ছে ইইউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ থামাতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ২০তম নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এ প্রস্তাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে তেল ও গ্যাস খাতসহ সামুদ্রিক পরিষেবায় পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।

ইউরোপীয় কমিশন বলছে, নতুন এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য রাশিয়ার যুদ্ধনির্ভর অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়ানো। যার মাধ্যমে মস্কোকে আলোচনার টেবিলে ছাড় দিতে বাধ্য করা হবে।

ads

শুক্রবার কমিশনের সভাপতি উরসুলা ফন ডার লেইন বলেন, ‘একদিকে ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের রক্ষা করতে লড়ছে, অন্যদিকে রাশিয়া পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক অবকাঠামো ও আবাসিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। এ অবস্থায় রাশিয়াকে আলোচনায় আনতে চাপের মুখে ফেলা জরুরি। ’

প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় রুশ তেলবাহী জাহাজের ওপর সামুদ্রিক পরিষেবা নিষিদ্ধ করা হবে। যা কার্যকর হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো প্রতিষ্ঠান মস্কোর কোনো জাহাজকে বিমা, পরিবহন সহায়তা কিংবা বন্দর সুবিধা দেবে না।

ads

এতদিন জি-সেভেন নির্ধারিত মূল্যসীমা মেনে চলা জাহাজগুলোকে এসব পরিষেবা দেওয়ার অনুমতি ছিল।
এর পাশাপাশি নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাশিয়ার ‘শ্যাডো ফ্লিট’, ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন ও ধাতু খাতও রয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের আশা, জি-সেভেন দেশগুলোর সমন্বয়ে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে রাশিয়ার জ্বালানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। সেই সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা কমে যাবে দেশটির।

সম্প্রতি রুশ তেলের মূল্যসীমা ব্যারেলপ্রতি ৪৪ দশমিক ১০ ডলারে নামিয়ে আনা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া এই পরিবর্তিত মূল্যসীমা অনুসরণ করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো ব্যারেলপ্রতি ৬০ ডলারের সীমা বহাল রেখেছে।

সূত্র: ইউরো নিউজ

ad

পাঠকের মতামত