62009

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আধুনিক ও সবুজ পৌরসভা গড়তে ডেভেলপমেন্ট পরিকল্পনা কর্মশালা

নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আধুনিক, টেকসই ও সবুজ পৌরসভা গড়ে তোলার লক্ষ্যে দিনব্যাপী “ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট পরিকল্পনা” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় চৌদ্দগ্রাম পৌর প্রশাসক মোঃ নূরুল আমিন সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলা উদ্দিন।

ads

কর্মশালায় উন্নয়ন বিষয়ক বক্তব্য উপস্থাপন করেন নগর পরিকল্পনাবীদ আবদুর রকিব খাঁন, সিনিয়র মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুল কুদ্দুস, নগর পরিকল্পনাবীদ তামান্না সালাম, আর্কিটেক্ট ফারহানা ইসলাম, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার সানিম আরেফিন, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মোঃ আল আমিন, সামাজিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ মো. জাহিদুল ইসলামসহ টাউন লেভেল কো-অর্ডিনেশন কমিটির সদস্যবৃন্দ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ রশিদ আহমেদ চৌধুরী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম মীর হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ads

কর্মশালায় বক্তারা জানান, প্রকল্পের আওতায় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভায় রাস্তা ও ফুটপাত উন্নয়ন, সড়কবাতি স্থাপন, ড্রেন নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট স্থাপন, বাজার ও বাস টার্মিনাল উন্নয়ন, সুপার মার্কেট, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, পৌরভবন নির্মাণসহ আধুনিক নগর সেবার বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পটি সামাজিক ও পরিবেশগত দিক, জলবায়ু সহনশীল নগর পরিসেবা এবং নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে পরিচালিত হবে। এর মাধ্যমে পৌরসভায় আধুনিক ও জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে। স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে চৌদ্দগ্রাম একটি আধুনিক ও সবুজ পৌরসভায় রূপ নেবে।

তারা আরও জানান, আরইউটিডিপি প্রকল্পটি বাংলাদেশের নিজস্ব বিনিয়োগ প্রকল্প, যা বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে এলজিইডির অধীনে জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০৩০ সাল পর্যন্ত ছয় বছর মেয়াদে বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সারাদেশের ৮১টি পৌরসভা ও ৬টি সিটি কর্পোরেশনে বসবাসরত প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ উপকৃত হবে। পাশাপাশি প্রকল্পের বিভিন্ন ইন্টারভেনশনের আওতায় গ্রোথ করিডোর এলাকায় বসবাসরত নগর ও গ্রামীণ মিলিয়ে আরও ৪৬ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ সুফল পাবে বলে জানান বক্তারা।

ad

পাঠকের মতামত