যুব সমাজকে মৎস্য উৎপাদনে সম্পৃক্ত করতে হবে: স্পীকার
নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, মৎস্য খাত বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। দেশের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করে দেশের কল্যাণে নিরন্তর কাজ করে যেতে হবে। এজন্য যুব সমাজকে মৎস্য উৎপাদনে উৎসাহিত ও সম্পৃক্ত করতে হবে।
রবিবার (২৯ আগস্ট) ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সংসদ ভবন লেকে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্পীকার এসব কথা বলেন।
এর আগে স্পীকার ভার্চুয়ালি জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করেন এবং স্পীকারের পক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি জাতীয় মৎস্য পদক ২০২১ প্রদান করেন।
প্রতিবছর মৎস্য সপ্তাহ পালন মৎস্য সম্পদের সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে এবং জাতীয় মৎস্য পদক মৎস্য চাষে উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বাঙালি জাতির কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত মৎস্যসম্পদ রক্ষায় ‘বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দূর করি’ স্লোগানকে সার্থক করে তুলতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান স্পীকার।
সংসদ ভবন লেকে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউস, মহাশোল, সুবর্ণ রুই, পাবদা, গুলশা, গলদা চিংড়ির মোট ৯৮৩৫টি পোনা অবমুক্ত করা হয়।
স্পীকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য সম্পদের অবদান ১৯৭২ সালে জাতির পিতা অনুভব করেছিলেন এবং ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে পোনা মাছ অবমুক্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে এর শুভ সূচনা করেছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্য উৎপাদনকে বিশেষভাবে উৎসাহিত এবং জনগণের পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণের জন্য মৎস্যখাতকে গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করছেন, যার সুফল জনগণ ভোগ করছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি, হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এমপি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।










