জার্মানিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গমাতার জন্মদিন উদযাপন
নিউজ ডেস্ক: জার্মানির বার্লিনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ৮ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে দূতাবাসের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব মো. খালিদ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জীবন ও কর্মের উপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
পরে অনুষ্ঠানে সমবেত সবার উদ্দেশ্যে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।
রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রপতির বাণী, দূতাবাসের মিনিস্টার মো. মুর্শীদুল হক খান প্রধানমন্ত্রীর বাণী এবং দূতাবাসের কাউন্সেলর কাজী তুহিন রসুল মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন।
আলোচনা সভায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা করেন দূতাবাসের মিনিস্টার এম. মুর্শীদুল হক খান, কমার্শিয়াল কাউন্সেলর মো. সাইফুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুল হক খানসহ অনেকে।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী হিসেবে জীবনব্যাপী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ভূমিকা এবং তার ত্যাগ-তিতিক্ষার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী হিসেবে আজীবন স্বীয় কর্তব্যপালনে প্রজ্ঞা, ধৈর্য্য, সাহস ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। বঙ্গমাতা বেগম সারা জীবন বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে সংকটে-সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস যুগিয়েছেন।
আলোচনা সভার পর জাতীর পিতা ও তার পরিবারের সদস্য, জাতীয় নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদ ও বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।










