51630

আর্থিক সংকটে পড়তে পারে ফ্রান্স, হুঁশিয়ারি অর্থমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আর্থিক সংকটে পড়তে পারে ফ্রান্স। রবিবারের (০৭ জুলাই) নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন না পাওয়ার পর দেশটির অর্থমন্ত্রী ব্রুনো লে মায়ার এ বিষয়ে সতর্ক করলেন। এর আগে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পর ইউরোর দাম পড়ে যাওয়ার তথ্য দেয় বিবিসি।

মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে ব্রুনো লে মায়ার বলেন, ‘নিউ পপুলার ফ্রন্ট, যেটি সবচেয়ে বেশি আসন জিতেছে, দলটি বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কাজ ‘ধ্বংস’ করবে।’ এছাড়াও দেশটিতে ‘মতাদর্শগত ফাটল’ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

ads

প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সাত বছর ধরে কাজ করছেন ব্রুনো লে মায়ার। তার মতে, যারা ভোট দিয়েছেন তাদের উদ্বেগের কথা শুনতে হবে।

ফ্রান্সে পার্লামেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে অপ্রত্যাশিত জয় পেয়েছে বামপন্থীরা। বিপরীতে ৩০ জুন প্রথম ধাপে এগিয়ে থাকা কট্টর ডানপন্থী নেতা মেরি ল পেনের দল ন্যাশনাল র‌্যালি (আরএন) অনেকটাই পিছিয়ে।

ads

আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণায় দেখা গেছে, বামপন্থী নিউ পপুলার ফ্রন্ট (এনএফপি) নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁর মধ্যপন্থী জোট এনসেম্বল দ্বিতীয় হয়েছে। আর উগ্র ডানপন্থী দল ন্যাশনাল র‌্যালির (আরএন) অবস্থান তৃতীয়।

বিবিসির তথ্যমতে, দেশটির ৫৭৭ আসনের মধ্যে পার্লামেন্টে বামপন্থী নিউ পপুলার ফ্রন্ট ১৮২টি আসন পেয়েছে, ক্ষমতাসীন ম্যাখোঁর উদারপন্থী দল পেয়েছে ১৬৮টি আসন। আর পেরি ল পেনের ন্যাশনাল র‍্যালি দল পেয়েছে ১৪৩টি আসন। তবে তিন পক্ষের কেউই প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

৫৭৭ আসনের ফরাসি পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ২৮৯টি আসন। সে ক্ষেত্রে বাম জোটকে সরকার গঠন করতে হলে অন্যদের সমর্থন নিতে হবে। তাতে ঝুলন্ত পার্লামেন্ট গঠনের সম্ভাবনাই বেশি। এছাড়া কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে জটিলতা শুরু হবে। কারণ দেশটিতে তিন দলের একসঙ্গে কাজ করার পূর্ব কোন ইতিহাস নেই।

ad

পাঠকের মতামত